৪৩ পণ্য ও সেবা রপ্তানিতে প্রণোদনার মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ল

Posted on January 13, 2026   8.5K

৪৩ ধরনের পণ্য ও সেবা রপ্তানির বিপরীতে দেওয়া নগদ সহায়তা বা প্রণোদনার মেয়াদ চলতি বছরের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ফলে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরজুড়েই রপ্তানিকারকরা এ সুবিধা পাবেন।

সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করেছে।

এর আগে চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসের জন্য এই প্রণোদনা ঘোষণা করা হয়েছিল।

এখন রপ্তানি পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সুবিধার মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হলো। গত বছরের মতো এবারও একই হারে প্রণোদনা বহাল রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, পণ্য ও খাতভেদে রপ্তানিকারকরা সর্বনিম্ন শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা পাবেন। মোট ৪৩টি পণ্য ও সেবা খাত এ সুবিধার আওতায় রয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে রপ্তানিমুখী দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের বিকল্প হিসেবে ১ দশমিক ৫ শতাংশ নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। ইউরো অঞ্চলে রপ্তানিকারকদের জন্য বিদ্যমান সহায়তার সঙ্গে অতিরিক্ত শূন্য দশমিক ৫০ শতাংশ বিশেষ প্রণোদনা থাকবে। বস্ত্রের নতুন পণ্য ও নতুন বাজারে রপ্তানিতে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হবে।

এ ছাড়া তৈরি পোশাক খাতে বিশেষ প্রণোদনা শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ, বৈচিত্র্যময় পাটপণ্যে ১০ শতাংশ, পাটজাত চূড়ান্ত পণ্য ও পাটসুতায় ৩ শতাংশ এবং গরু-মহিষের নাড়ি রপ্তানিতে ৬ শতাংশ প্রণোদনা নির্ধারণ করা হয়েছে।

হিমায়িত মৎস্য রপ্তানিতে ১ দশমিক ৫০ থেকে ৮ শতাংশ, হালকা প্রকৌশল পণ্য, আলু ও কৃষিপণ্যে ১০ শতাংশ, ক্রাস্ট লেদার ও ফিনিশড লেদার এবং পেট বোতল ফ্লেক্স রপ্তানিতে ৬ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হবে। জাহাজ রপ্তানিতে প্রণোদনা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ শতাংশ।

এ ছাড়া পাটকাঠি থেকে উৎপাদিত কার্বন, শস্য ও শাকসবজি, ফার্নিচার, আগর ও আতর রপ্তানিতে ৮ শতাংশ এবং প্লাস্টিক দ্রব্য ও দেশে উৎপাদিত কাগজপণ্যে ৬ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া হবে। এভাবে মোট ৪৩ ধরনের পণ্য ও সেবা রপ্তানিতে বিভিন্ন হারে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।

সার্কুলার অনুযায়ী, রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা পাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে নিয়োজিত বহিঃনিরীক্ষক বা অডিট ফার্মের মাধ্যমে নিরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে।

Share on

Tags

(0) Comments

  • Nothing Found!

Add Comment