স্বস্তি ফিরছে না বাজারে
Posted on April 04, 2026 8.8K
রাজধানীর বাজারে স্বস্তি যেন ফিরছেই না। ঈদুল ফিতরের দুই সপ্তাহ আগেই নিত্যপণ্যের দাম বাড়া শুরু হয়েছিল। সব ধরনের মুরগির দাম হঠাৎ করে কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছিল। সবজির দামও ছিল চড়া। বাজারে এখনো সেই আগের দামেই সেসব পণ্য বিক্রি হচ্ছে। মুরগির দাম সামান্য কমলেও এখনো সাধারণ মানুষের নাগালে আসেনি। উল্টো সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা। ডিমের দামেও ঊর্ধ্বগতি। তবে পিঁয়াজের দাম সামান্য কমেছে।
বিক্রেতারা জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন খরচ আগের চেয়ে বেশি। তাই সবজি থেকে শুরু করে অন্যান্য পণ্যের দাম সামান্য বেড়েছে। যেসব পণ্য আগে থেকে মজুত ছিল সেগুলোর দাম বাড়েনি।
গতকাল মিরপুর-১১ ও মিরপুর-৬ বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগি এখন কেজিতে ১৮০-১৯০, সোনালি কক ৩৪০-৩৫০, সোনালি হাইব্রিড ৩২০, লাল লেয়ার ৩২০-৩৩০, সাদা লেয়ার ২৯০ ও দেশি মুরগি ৬৮০-৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ডজন ফার্মের ডিম ১২০ টাকা। গরুর মাংস ৮০০-৮৫০ ও খাসির মাংস ১ হাজার ৫০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
গোল ও লম্বা দুই ধরনের বেগুনই ৭০-৮০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। মরিচ ১২০-১৩০, পেঁপে ৪০ ও মিষ্টিকুমড়া ৫০-৬০, আলু ২০, করলা ৮০-১০০, বরবটি ৮০-৯০, ঢ্যাঁড়শ ৮০, চিচিঙ্গা ৭০-৮০, পটোল ৮০-১০০, ধুন্ধল ৭০-৮০, টম্যাটো ও শসা ৫০-৬০ ও শজিনার কেজি ১২০ টাকা। মাঝারি মানের লাউয়ের পিস ৮০-১০০ টাকা। মানভেদে লেবুর হালি ৪০-৫০ টাকা। পিঁয়াজের কেজি ৩৫-৪০ টাকা। চালের মধ্যে মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৮৫-৮৮, রশিদ ৭৫-৮০, নন-ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৭০ আর দামি মিনিকেট মোজাম্মেল বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা কেজি। চিকন মসুর ডালের কেজি ১৫০-১৫৫, মোটা মসুর ৯০-১০০, বড় মুগ ১৪০, ছোট মুগ ১৭০, খেসারি ১০০, মাষকলাই ১৮০ এবং বুটের ডাল ১১৫ টাকা।
রুই মাছ ৩০০-৩৫০, কাতলা ৩২০-৩৫০, পাঙাশ ১৮০-২০০, তেলাপিয়া ১৮০-২২০, চিংড়ি ৬৫০-৭৫০, মাঝারি আকারের কই ২০০-২৫০, দেশি শিং ৬৫০-৭৫০, শোল ৬৫০, সুরমা ৩০০-৩৫০ এবং পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
