ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর মেয়ের ওপর জামায়াত কর্মীদের হামলা, দ্রুত গ্রেফতার দাবি
Posted on January 29, 2026 6K
ভোলা-৪ (চরফ্যাশন–মনপুরা) আসনে নির্বাচনী প্রচারকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এ কে এম কামাল উদ্দিনের মেয়ে মারিয়া কামালসহ বেশ কয়েকজনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোস্তফা কামালের কর্মী-সমর্থকদের জড়িত থাকার অভিযোগ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। হামলাকারীদের গ্রেফতার করার দাবিও করা হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বুধবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ভোলা-৪ (মনপুরা ও চরফ্যাশন) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী এ কে এম কামাল হোসেনের মেয়ে মারিয়া কামালের ওপরে দাড়িপাল্লার কর্মীরা যে বর্বরোচিত হামলা করেছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর রাখতে এই হামলার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শেয়ার করা এই বিবৃতিতে অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে বলেন, ‘আজ বুধবার সকাল নয়টা-সাড়ে নয়টার দিকে মারিয়া কামালের নেতৃত্বে ৫-৭ জনের একটি নারী দল পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডে দাওয়াতি কাজ করছিলেন। প্রার্থীর ছেলে মুহাম্মাদ তাশফিন ও জেলা যুব আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা ফয়সাল আহমাদ সাথে ছিলেন। দাওয়াতি কাজের এক পর্যায়ে মো. সোহেল হাওলাদার ও আলাউদ্দিন নামের দুই ব্যক্তি জামায়াতে ইসলামী ও দাড়িপাল্লার পক্ষ হয়ে বাধা প্রদান করেন এবং প্রার্থীর ছেলে তাশফিন জেলা যুব আন্দোলনের সেক্রেটারিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। একপর্যায়ে প্রার্থীর মেয়ে মারিয়া কামালকেও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। বিষয়টি বড় আকার ধারণ করার আগেই মারিয়া কামাল পরিস্থিতি সামলে নিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।’
এতে আরও বলা হয়, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে পরিবর্তিত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এই ধরনের আচরণ কোনোভাবেই প্রত্যাশিত ছিল না। বিশেষ করে ইসলাম নামধারী একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে এই ধরনের আচরণ আমাদেরকে বিস্মিত ও ক্ষুদ্ধ করেছে। আমরা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাব, অবিলম্বে অপরাধীদের গ্রেফতার করুন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনুন। একই সাথে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দকে বলব, আপনাদের কর্মীরা একজন নারীর গায়ে হাত তোলার সাহস ও শিক্ষা কোথা থেকে পায়? এই ধরনের উচ্ছৃঙ্খল কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন। অন্যথায় সৃষ্ট পরিস্থিতির জন্য আপনারাই দায়ী থাকবেন।’
